শিল্পখাত থেকে আইনটি সম্পূর্ণভাবে রহিতকরণ অথবা উল্লেখযোগ্য সংশোধনের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে

অক্টোবর ২০২৫ সালে বাংলাদেশ ওশান-গোয়িং শিপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন (BOGSOA) ও ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম আয়োজিত এক সেমিনারে শিল্পখাতের নেতৃবৃন্দ পতাকাবাহী জাহাজ আইন বাতিলের আহ্বান জানান, যেহেতু বর্তমানে আইনটি শুধুমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত পরিবহন সংস্থাকে সুবিধা দিচ্ছে অথচ বেসরকারি অপারেটররা (যাঁদের ১০০টির বেশি জাহাজ রয়েছে) সমান সুযোগ থেকে বঞ্চিত।[4]
তাঁরা আরও উল্লেখ করেন যে, জাহাজ বিক্রয়ের ক্ষেত্রে মন্ত্রনালয়ের অনুমোদনের মতো নিয়ন্ত্রন জটিলতা বিদ্যমান রয়েছে এবং ২০২৯ সালের মধ্যে ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অরগানাইজেশন এর শূন্য-নিঃসরণ জ্বালানি সংক্রান্ত আসন্ন IMO-বিধি-বিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্য বিধানের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে সতর্ক করেন।[4]

২০২৫

বাংলাদেশি পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে বিদেশি জাহাজসংক্রান্ত বিধিনিষেধ শিথিল বিষয়ে হাইকোর্টের নির্দেশ[5] [15]

২০২৪ সালের জুন মাসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আমদানি–রপ্তানি পণ্য পরিবহনকারী বিদেশি পতাকাবাহী জাহাজের জন্য অব্যাহতি সনদ অথবা অনাপত্তি সনদ (NOC) গ্রহণের বাধ্যবাধকতা বাংলাদেশ হাইকোর্ট ছয় মাসের জন্য সাময়িকভাবে স্থগিত করেন। উক্ত ছয় মাসের সাময়িক স্থগিতাদেশের কারণে বিদেশি পতাকাবাহী জাহাজসমূহ পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের পূর্বানুমোদন ব্যতীত বাংলাদেশমুখী ও বাংলাদেশ হতে আন্তর্জাতিক রুটে চলাচল করতে পারবে।

জাহাজ শিল্পখাতের সাথে সংশ্লিষ্ট সংগঠনসমূহের উত্থাপিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই আদেশটি প্রদান করা হয়েছে। পূর্বে প্রয়োজনীয় সনদ (ওয়েভার) না থাকলে জাহাজসমূহকে জরিমানা ও বিলম্বের সম্মুখীন হতে হতো।

২০২৪

পতাকাবাহী জাহাজ বিধিমালা ২০২৩ জারি করা হয়

উক্ত আইনের অধীনে সরকার ২০২৩ সালে বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ (স্বার্থরক্ষা) বিধিমালা প্রণয়ন ও জারি করে, যার ফলে এ বিধিমালার পুনর্বিবেচনার আহ্বান উত্থাপিত হয়েছে।[²]

২০২৩

Supported by

BCSA (Bangladesh Container Shipping Association) logo.
X-PRESS FEEDERS logo: orange text and globe with four arrows.
X-PRESS FEEDERS logo: orange text and globe with four arrows.
X-PRESS FEEDERS logo: orange text and globe with four arrows.

সমর্থনে

BCSA (Bangladesh Container Shipping Association) logo.

বাংলাদেশের বাণিজ্য প্রবেশাধিকার, নৌপরিবহন নির্ভরযোগ্যতা এবং অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ বিষয়ে পর্যালোচনা।

এই সাইটের উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ (স্বার্থ রক্ষা) আইন এবং বাণিজ্য, লজিস্টিকস ও রপ্তানির ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে সহজবোধ্য, তথ্যভিত্তিক ও ভারসাম্যপূর্ণ তথ্য প্রদান করা।

এই সাইটে উপস্থাপিত কোনো তথ্য বা মতামত কোনো সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিনিধিত্ব করে না।

উন্মুক্ত সমুদ্র:
বাংলাদেশের জন্য ন্যায্য নৌপরিবহন প্রবেশাধিকার

আরও পড়ুন

শিল্পখাত থেকে আইনটি সম্পূর্ণভাবে রহিতকরণ অথবা উল্লেখযোগ্য সংশোধনের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে

২০২৫

আরও পড়ুন

বাংলাদেশি পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে বিদেশি জাহাজসংক্রান্ত বিধিনিষেধ শিথিল বিষয়ে হাইকোর্টের নির্দেশ[5] [15]

২০২৪

আরও পড়ুন

পতাকাবাহী জাহাজ বিধিমালা ২০২৩ জারি করা হয়

২০২৩

মূল উন্নয়ন

২০১৯ সালে বাংলাদেশ তার সামুদ্রিক নৌপরিবহন নীতি সংশোধন করে, যার ফলে বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ পণ্য বোঝাইকারী বন্দরে উপস্থিত না থাকলে তবেই বিদেশি পতাকাবাহী জাহাজের মাধ্যমে পণ্য পরিবহন অনুমোদন দেয়া হয়।

সে ক্ষেত্রে বিদেশি পতাকাবাহী জাহাজসমূহ একটি অব্যাহতি (ওয়েভার) সনদের জন্য আবেদন করতে পারে, যা সরকার কর্তৃক জারিকৃত একটি বাধ্যতামূলক সনদ। বাংলাদেশি বন্দরে পণ্য লোড বা আনলোড করার পূর্বে বিদেশি পতাকাবাহী জাহাজকে নৌ বাণিজ্য দপ্তর থেকে উক্ত সনদ গ্রহণ করতে হয়। বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজে প্রয়োজনীয় সক্ষমতার অভাব কিংবা লোড পোর্টে বাংলাদেশী জাহাজের উপস্থিতি নিশ্চিত না হলে অব্যাহতি (ওয়েভার) প্রদান করা হয়।

বর্তমান নীতিটি বাণিজ্য কার্যক্রম ও নৌপরিবহন ব্যয়ের[2] উপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে কিছু উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে, পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের আস্থার[3] উপরও এর প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়া, এটি বাংলাদেশের রপ্তানি অবকাঠামোর বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে এবং নৌপরিবহন সংস্থা, রপ্তানিকারক ও বাণিজ্য অংশীদারদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করতে পারে।[3][32]

বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ (স্বার্থরক্ষা) আইন, ২০১৯ এর পটভূমি [1]

সম্ভাব্য প্রভাব

বাংলাদেশে বিদ্যমান নৌপরিবহন আইন দেশীয় নৌ পরিবহণ সক্ষমতা জোরদার করার উদ্দেশ্যে প্রবর্তন করা হয়। তবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এর বাস্তবায়নের ফলে সৃষ্ট কিছু অপ্রত্যাশিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নৌপরিবহন ও রপ্তানি খাতে পরিচালনাগত এবং অর্থনৈতিক জটিলতার সৃষ্টি করতে পারে। নিচে আমরা তিনটি প্রধান দৃষ্টিকোণ থেকে এসব চ্যালেঞ্জ বিশ্লেষণ করেছি।[2][3][25]

পরিচালনাগত বিঘ্ন ও ব্যয় বৃদ্ধির সম্ভাবনা

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইনটি বর্তমান রূপে কার্যকর থাকলে পরিচালনাগত জটিলতা, বিলম্ব ও ব্যয় বৃদ্ধি পেতে পারে, যার ফলে নৌপরিবহন খাতের সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহ ও রপ্তানিকারকদের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।   [2][6]  মাত্র ৮ টি বাংলাদেশি পতাকাবাহী কনটেইনার জাহাজ ২০২৩ সালে [7]  পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত থাকায়, বিদেশি জাহাজের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ দেশের পরিবহন সক্ষমতার / চাহিদায় ঘাটতি সৃষ্টি করেছে এবং এর ফলে পণ্য ভাড়ার হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। যদিও বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন কর্তৃক ২০২৮ সালের মধ্যে ছয়টি নতুন জাহাজ সংযোজনের মাধ্যমে দেশীয় পতাকাবাহী কন্টেইনার পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে তবে তা সত্ত্বেও কন্টেইনার নৌপরিবহনে চাহিদার তুলনায় একটি উল্লেখযোগ্য ঘাটতি বিদ্যমান থাকবে। [8] যদি কোনো সম্ভাব্য বাধা, ব্যয় বৃদ্ধি এবং জটিল অব্যাহতি সনদ (ওয়েভার) শর্ত বিদ্যমান থাকে, তবে তা পোশাক রপ্তানির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতের রপ্তানিকারকদের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে ।[25]

অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক প্রভাব

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বর্তমান আইনটি বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে এবং সমুদ্র পথে পণ্য-পরিবহনে বিলম্ব বৃদ্ধি করতে পারে, যার ফলে বৈদেশিক মুদ্রা আয় সম্ভাব্যভাবে হ্রাস পেতে পারে। [25]

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও সমুদ্র সংক্রান্ত আইনের বিধিবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্য বিষয়ে উদ্বেগ, বাংলাদেশের ব্যবসায়িক পরিবেশে প্রভাব ফেলতে পারে। [14a] আইনটি আন্তর্জাতিক চুক্তিসমূহের অধীনে গৃহীত দায়বদ্ধতার সঙ্গে কতটুকু সামঞ্জস্যপূর্ণ-সে বিষয়ে মতামত ও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। [7]

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা

ভারসাম্যপূর্ণ সংস্কার এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব [21] জাতীয় লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করতে পারে এবং একইসাথে বাণিজ্য প্রতিযোগিতা বজায় রাখতে পারে। সমুদ্রগামী জাহাজ চলাচল খাত আধুনিকীকরণ ও আন্তর্জাতিক মান অনুসরণের মাধ্যমে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।  

দেশীয় ও বিদেশি অপারেটরদের মধ্যে সহযোগিতা বাংলাদেশের বৈশ্বিক বাণিজ্য অবস্থানকে শক্তিশালী করতে এবং প্রধান রপ্তানি খাতসমূহকে সমর্থন করতে সহায়ক হতে পারে। ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি নির্ভর করে জাতীয় স্বার্থ ও বৈশ্বিক সংযুক্তির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা এবং নৌপরিবহন নীতিমালা যেন বন্দর অবকাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে তা নিশ্চিত করার উপর।[7]

Blue, Red, Pink, Orange, Purple

Read

It has been reported that the legislation in its current form may increase operational complexity, delays, and costs, reducing competitiveness for shipping lines and exporters.[2][6] With only 8 Bangladesh-flagged container ships in 2023 [7] available, restrictions on foreign vessels have led to capacity shortages and potentially higher freight rates. Domestic flagged container capacity is planned to be increased by Bangladesh Shipping Corporation with six new vessels by 2028 but this will still leave a significant shortfall in container shipping transport demand.[8] If there are any potential bottlenecks potential higher costs and complex waiver conditions, this may cause some further strain exporters, especially in key sectors like garments.[25]

Potential for operational disruptions and increased costs

Read

It has been reported that the current legislation may affect Bangladesh’s competitiveness and increase shipping delays, which can potentially reduce foreign exchange earnings.[25]

Concerns over compliance with international trade and maritime rules, could impact Bangladesh’s business environment.[14] Also comments have been made regarding potential alignment aspects between the legislation and international treaty obligations.[7]

Economic and Trade Impact

Read

Balanced reforms , and public-private partnerships [21] - can support national goals while maintaining trade competitiveness. Modernising the shipping sector and aligning with international standards may attract investment and create jobs.

Collaboration between local and foreign operators can help strengthen Bangladesh’s global trade position and support key exports. Future growth depends on balancing national interests with global integration and ensuring shipping policies align with port infrastructure.[22]

Driving future growth in Bangladesh

Bangladesh-flagged vessels make up less than 8-10% of total shipping volume

Limited national fleet

Average shipment delays per port

বর্তমানে মোট পণ্য পরিবহনের প্রায় ৮–১০% বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজের মাধ্যমে সম্পাদিত; বিদ্যমান পরিকল্পনা অনুযায়ী এই অংশ ২০% পর্যন্ত বৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে

সীমিত জাতীয় জাহাজ বহর

শিপমেন্ট প্রক্রিয়ায় বিলম্ব [12]

প্রধান বাণিজ্যিক নৌপথে পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি  [4]

সম্ভাব্য প্রধান প্রভাবসমূহ:

Limited national fleet (Bangladesh-flagged vessels - from 8-10% with current plans to increase up to 20% of total freight volume[13]

Shipment delays[12]

Higher shipping costs[4] on key trade lanes

Possible key impacts:

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইনটি বর্তমান রূপে কার্যকর থাকলে পরিচালনাগত জটিলতা, বিলম্ব ও ব্যয় বৃদ্ধি পেতে পারে, যার ফলে নৌপরিবহন খাতের সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহ ও রপ্তানিকারকদের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।  [2][6]  মাত্র ৮ টি বাংলাদেশি পতাকাবাহী কনটেইনার জাহাজ ২০২৩ সালে [7]  পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত থাকায়, বিদেশি জাহাজের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ দেশের পরিবহন সক্ষমতার / চাহিদায় ঘাটতি সৃষ্টি করেছে এবং এর ফলে পণ্য ভাড়ার হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। যদিও বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন কর্তৃক ২০২৮ সালের মধ্যে ছয়টি নতুন জাহাজ সংযোজনের মাধ্যমে দেশীয় পতাকাবাহী কন্টেইনার পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে তবে তা সত্ত্বেও কন্টেইনার নৌপরিবহনে চাহিদার তুলনায় একটি উল্লেখযোগ্য ঘাটতি বিদ্যমান থাকবে। [8] যদি কোনো সম্ভাব্য বাধা, ব্যয় বৃদ্ধি এবং জটিল অব্যাহতি সনদ (ওয়েভার) শর্ত বিদ্যমান থাকে, তবে তা পোশাক রপ্তানির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতের রপ্তানিকারকদের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে ।[25]

বন্দরে যানজট। পণ্য ভাড়া ব্যয় বৃদ্ধির আশঙ্কা। সময়সূচি নির্ধারণসংক্রান্ত উদ্বেগ।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিদেশি জাহাজের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ এবং বর্তমানে বাংলাদেশি পতাকাবাহী কন্টেইনার জাহাজের অপর্যাপ্ত সক্ষমতা একত্রে পণ্য শিপমেন্ট এ  বিলম্ব, ব্যয় বৃদ্ধি এবং নৌ বাণিজ্য দপ্তর এ অতিরিক্ত প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। তবে প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, কার্গোর পরিমাণ হ্রাস পেলে এবং দেশীয় নৌপরিবহন সংস্থাসমূহকে সুরক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে পতাকাবাহী জাহাজ (স্বার্থরক্ষা) আইনটি প্রয়োগ করা উচিত।[9][10][11]

পরিচালনাগত বিঘ্ন ও ব্যয় বৃদ্ধির সম্ভাবনা

অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক প্রভাব

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বর্তমান আইনটি বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে এবং সমুদ্র পথে পণ্য-পরিবহনে বিলম্ব বৃদ্ধি করতে পারে, যার ফলে বৈদেশিক মুদ্রা আয় সম্ভাব্যভাবে হ্রাস পেতে পারে। [25]

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও সমুদ্র সংক্রান্ত আইনের বিধিবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্য বিষয়ে উদ্বেগ, বাংলাদেশের ব্যবসায়িক পরিবেশে প্রভাব ফেলতে পারে। [14a] আইনটি আন্তর্জাতিক চুক্তিসমূহের অধীনে গৃহীত দায়বদ্ধতার সঙ্গে কতটুকু সামঞ্জস্যপূর্ণ-সে বিষয়ে মতামত ও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। [7]

 "আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস যে, কর্তৃপক্ষ এবং আন্তর্জাতিক শিপিং ইন্ডাস্ট্রির কলা-কুশলিদের মধ্যে গঠনমূলক সংলাপ ও সহযোগিতার মাধ্যমে এমন সমাধান উদ্ভাবন করা সম্ভব, যা টেকসই প্রবৃদ্ধি, পারস্পরিক সুফল এবং ইন্টারন্যাশনাল মেরিন কমিউনিটির সামগ্রিক কল্যাণকে উৎসাহিত করবে।" 

— ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব শিপিং (ICS), বাংলাদেশ সরকার বরাবর চিঠি, ফেব্রুয়ারি ২০২৩ [15]

এছাড়াও বাংলাদেশ ২৭ জুলাই ২০০১ তারিখে জাতিসংঘের সমুদ্র আইন বিষয়ক কনভেনশন (UNCLOS) অনুসমর্থন করে, যার মাধ্যমে সামুদ্রিক ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা প্রতিষ্ঠিত হয়। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বিশেষ ও পৃথক সুবিধা লাভ করলেও, কিছু পর্যবেক্ষকের মতে আন্তর্জাতিক এসব দায়বদ্ধতার সঙ্গে ধারাবাহিক সামঞ্জস্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান আইনটি পুনঃবিবেচনার প্রয়োজন হতে পারে।[15]

এছাড়াও উল্লেখ করা হয়েছে যে, দ্রুত শিল্পোন্নয়ন ও বৈশ্বিক বাণিজ্যে একীভূতকরণের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের নৌপরিবহন ও লজিস্টিকস খাত একটি সন্ধিক্ষণে অবস্থান করছে, যেখানে একদিকে চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে সম্ভাবনাও বিদ্যমান।  সম্প্রতি ফাইন্যানশিয়াল এক্সপ্রেস আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে বিশেষজ্ঞরা কিছু সংস্কারের আহ্বান জানান। তাঁদের মতে, এ ধরনের সংস্কার ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তা করতে পারে, একই সঙ্গে দ্রুত শিল্পোন্নয়ন ও বৈশ্বিক বাণিজ্যে সংযুক্তির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ও প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। [16]

বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ঝুঁকির মুখে। বিনিয়োগে অনিশ্চয়তা।

বাংলাদেশের রপ্তানি সক্ষমতা নির্বিঘ্ন বৈশ্বিক নৌপরিবহন প্রবেশাধিকারের উপর নির্ভরশীল। বর্তমান বিধিনিষেধ প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে, রপ্তানিকারকদের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে এবং লজিস্টিকসের অনিশ্চয়তা ও বাণিজ্যের ন্যায্যতা সংক্রান্ত আইনগত অস্পষ্টতার কারণে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগকে নিরুৎসাহিত করতে পারে। [11]

বাণিজ্য চুক্তি ও আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচল মানদণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আইনগত ঝুঁকি [15]

নির্ধারিত সময়ে জাহাজীকরন নিশ্চিত করার উপর নির্ভরশীল প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (FDI) প্রকল্পে ঝুঁকির সম্ভাবনা [16]

বাংলাদেশের ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের [17] রপ্তানি খাতে সম্ভাব্য বাণিজ্য ক্ষতির ঝুঁকি

সম্ভাব্য প্রধান প্রভাবসমূহ:

International Chamber of Shipping (ICS), Letter to the Government of Bangladesh, February 2023[15].

It is our firm belief that constructive dialogue and cooperation between maritime authorities and the global shipping industry can lead to solutions that promote sustainable growth, mutual benefits, and the overall well-being of the international maritime community.

Teal map of South and Southeast Asian country outlines.

- বার্ষিক রপ্তানি (২০২৪)

ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রপ্তানি শিল্প

ভবিষ্যতের সুবিধা

বৈশ্বিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ন্যায্যতর বাণিজ্য পরিবেশ

বন্দর, লজিস্টিকস এবং জাহাজ শিল্পে কর্মসংস্থান সৃষ্টি

প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ এবং সামগ্রিক বাণিজ্য পরিসর বৃদ্ধি

বাংলাদেশের সমুদ্রগামী নৌপরিবহন সক্ষমতায় বিনিয়োগ

আইন সংস্কারের প্রধান সম্ভাব্য সুবিধাসমূহ:

জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করা ও একই সঙ্গে প্রতিযোগিতা ও প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সহায়ক, এগিয়ে যাওয়ার এরূপ একটি সুস্পষ্ট পথ বিদ্যমান । বর্তমান আইনের ভারসাম্যপূর্ণ সংস্কার বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে পারে, দেশীয় সমুদ্রগামী জাহাজ বহরের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারে এবং বৈশ্বিক বাজারে প্রবৃদ্ধি প্রসারে সহায়তা করতে পারে।

সংস্কার প্রবৃদ্ধির পথ উন্মুক্ত করতে পারে, তা সীমাবদ্ধ করে না।

ভারসাম্যপূর্ণ সংস্কার এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব [21] জাতীয় লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করতে পারে এবং একইসাথে বাণিজ্য প্রতিযোগিতা বজায় রাখতে পারে। সমুদ্রগামী জাহাজ চলাচল খাত আধুনিকীকরণ ও আন্তর্জাতিক মান অনুসরণের মাধ্যমে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দেশীয় ও বিদেশি অপারেটরদের মধ্যে সহযোগিতা বাংলাদেশের বৈশ্বিক বাণিজ্য অবস্থানকে শক্তিশালী করতে এবং প্রধান রপ্তানি খাতসমূহকে সমর্থন করতে সহায়ক হতে পারে। ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি নির্ভর করে জাতীয় স্বার্থ ও বৈশ্বিক সংযুক্তির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা এবং নৌপরিবহন নীতিমালা যেন বন্দর অবকাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে তা নিশ্চিত করার উপর। [22]

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা

Refinement doesn’t mean repeal—it means keeping goods moving while building Bangladesh’s shipping future.

বাংলাদেশের নৌ পরিবহণ আইনসমূহের পরিমার্জনের মাধ্যমে জাতীয় লক্ষ্য ও বৈশ্বিক বাণিজ্য প্রবণতার মধ্যে কার্যকর সামঞ্জস্য স্থাপনের একটি সম্মিলিত সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। গঠনমূলক সংস্কারের মাধ্যমে দেশীয় সমুদ্রগামী জাহাজবহর শক্তিশালীকরণ, রপ্তানি সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব জোরদার করা সম্ভব হতে পারে।

ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রার দিকনির্দেশনা

Terms & Conditions

© 2026 Open Seas

[1] The Bangladesh Flag Vessels (Protection of Interest) Act, 2019.

[2] WSC urges govt to review some requirements, practices of law. The Financial Express. May 08, 2023

[3] Foreign ships face uncertainty in getting key certificate. The Daily Star, Feb 21, 2023

[4] Call for scrapping 'Flag Vessel Act' to boost oceangoing shipping industry. The Financial Express. Oct 13, 2025

[5] HC eases restrictions on foreign vessels transporting Bangladeshi goods. The Business Standard, June 13, 2024

[6] BGMEA decries issuance delay. RMG Bangladesh Nov 23,2023

[7] Joint Complaint Submission to the European Commission Regarding the Bangladesh Flag Act. International Chamber of Shipping website

[8] Shipping corp to expand its fleet with 6 new container ships. The Business Standard Feb, 18 2025

[9] Foreign feeder ships face port disruptions. The Financial Express, Oct 14, 2023

[10] Bangladesh's flag rules severely disrupt feeder operations. Shipping Watch Oct 18,2023

[11] Bangladesh flag vessel act deepens difficulties for foreign feeder vessels. The Financial Express Nov 4,2023

[12] Foreign vessels at Ctg port grapple with lengthy process of waiver certification. The Business Standard Oct 14,2023

[13] In pandemic time local shippers added 32 vessels to fleet. Dec 20,2021

[14] Global protectionism: restrictive ship-flagging law takes a blow from High Court. Shipping Australia, June 14,2024

[15] Global Shipping Industry Concerns Regarding The Bangladesh Flag Act (Protection of Interest) Act 2019 and Related Shipping Notification. ICS Letter to Government Aug 23, 2023

[16] Challenges, opportunities, way forward in shipping & logistics. The Financial Express Sep 3,2025

[17] Exports hit $50b in 2024 The Daily Star, Jan 3, 2025

[18] RMG exports grew moderately in 2024 despite headwinds. The Daily Star, Jan 6,2025

[19] Pocket Export Statistics FY 2023-2024. Export Promotion Bureau Bangladesh Oct 14,2024

[20] Tax exemptions for ocean going vessels till 2030

[21] Your Guide to Public Private Partnership in Bangladesh. Public Private Partnership Office

[22] Modernizing Bangladesh's Port Infrastructure: Challenges, Opportunities, and The Path to Trade-led Growth. FICCI

[23] Comparative Statement on Export of RMG & Total Export of Bangladesh. BGMEA

[24] Bangladesh flag vessel act deepens difficulties for foreign feeder vessels. The Financial Express Nov 4,2023

[25] BGMEA decries issuance delay BGMEA Nov 23,2023

[26] Bangladesh's Vision 2041 and the Perspective Plan. United Nations Centre for Regional Development

[27] Making Vision 2041 a Reality PERSPECTIVE PLAN OF BANGLADESH 2021-2041. General Economics Division (GED)

[28] Govt's vision-2041 eyes big jump in investment. The Financial Express. Sep 10.2020

[29] NEC approves 2nd perspective plan to implement vision 2041. Prothom Alo Feb 25,2020

[30] GDP (current US$) - Bangladesh World Bank Group

[31] Challenges, opportunities, way forward in shipping & logistics. The Financial Express Sep 3,2025

[32] Scrapping Flag Vessel Act sought to boost ocean-going shipping industry

[33] Challenges, opportunities, way forward in shipping & logistics. The Financial Express Sep 3,2025

[34] Customs Modernization Strategic Action Plan 2019-2022

[35] Bangladesh's Seaports: Securing Domestic and Regional Economic Interests. Observer Research Foundation Jan 10.2023

[36] Moving Forward Connectivity and Logistics to Sustain Bangladesh’s Success. World Bank Group